আইএসের আদর্শিক পরাজয় এখনো ঘটেনি


Spread the love

২০১৬ সালের ১ জুলাই হোলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছিল ইসলামিক স্টেট (আইএস)। বাংলাদেশ সরকার সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছিল। সেই সময় আইএস এক বিশাল জায়গাজুড়ে একটি কথিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে সারা বিশ্বে চালিয়েছিল সন্ত্রাসী তৎপরতা। সেই রাষ্ট্রের পতন হয়েছে, কিন্তু আইএসের ভবিষ্যৎ কী, দক্ষিণ এশিয়ার জন্য কতটা হুমকি আইএস—এ নিয়ে লিখেছেন আলী রীয়াজ

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) শেষ অবস্থান সিরিয়া ও ইরাকের সীমান্তবর্তী ছোট্ট গ্রাম বাগুজের পতনের তিন মাস পার হয়ে গেলেও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও নীতিনির্ধারকদের কাছে এই প্রশ্নের কোনো সহজ ও সুনির্দিষ্ট উত্তর নেই যে আইএসের নেতৃত্ব ও অনুসারীরা ভবিষ্যতে কী করবে। এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে অংশত জড়িত আছে আগামী দিনে বৈশ্বিকভাবে সন্ত্রাসী তৎপরতার রূপ কী দাঁড়াবে এবং তা মোকাবিলার উপায় কী। বৈশ্বিক তৎপরতার অংশ হিসেবে আইএসের কৌশলের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া কতটা গুরুত্ব পাবে, সেটা এই অঞ্চলের নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও বিশ্লেষকদের মনোযোগ দাবি করে।

এ কথা ঠিক যে আবু বকর আল-বাগদাদির নেতৃত্বাধীন আইএস বলে পরিচিত সংগঠনটিই একমাত্র বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংগঠন নয়, কিন্তু একসময় প্রায় ব্রিটেনের আকারের সমান এলাকা নিয়ন্ত্রণ করত যে ভয়াবহ শক্তি, হত্যা ও বর্বরতায় যারা আর সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল, কার্যত একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল এবং যাদের সামরিকভাবে পরাজিত করতেই চার বছরের বেশি সময় লেগেছে, সেই সংগঠনের নেতৃত্ব ও অনুসারীদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম যেকোনো বিবেচনাতেই গুরুত্বপূর্ণ। লোকবলের দিক থেকে এত বড় সন্ত্রাসী সংগঠন আগে কখনোই গড়ে ওঠেনি; অনুমান করা হয় যে ২০১৪ সালেই আইএসের যোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৪ হাজার, পরের বছরগুলোতে তা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে; ২০১৮ সালে তাদের কথিত রাষ্ট্র পরিচালনার সঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতা, অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা, কর আদায় ও অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে জড়িত ছিল দুই লাখ মানুষ। এর বাইরেও ছিল এর প্রচার-প্রোপাগান্ডার সঙ্গে জড়িত কয়েক শ মানুষ, যারা ওই অঞ্চলের বাইরে থেকেই কাজ করেছে।

সারা পৃথিবী থেকে যোদ্ধা হিসেবে আইএস কতজনকে আকর্ষণ করেছিল, তার আনুমানিক হিসাব পাওয়া যায় আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা, নিরাপত্তা গবেষক ও গণমাধ্যমগুলোর কাছে; কমপক্ষে ৮৫টি দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি চিহ্নিত করা গেছে। আইএসের বিভিন্ন ঘাঁটি দখলের পরে সংগঠনটির যেসব দলিলপত্র উদ্ধার হয়েছে, তাতেও এই তথ্যের পক্ষে প্রমাণ আছে। এই হিসাবে মোট বিদেশি যোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব র‍্যাডিক্যালিজমের হিসাব অনুযায়ী, এই বিদেশি যোদ্ধাদের ১৩ শতাংশ ছিল নারী। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজমের করা ২০১৭ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে আইএসের অন্তত তিনটি নারী ব্যাটালিয়ন ছিল; এর একটি ছিল বিদেশি, প্রধানত ইউরোপ থেকে আসা নারীদের নিয়ে আল খানসা ব্যাটালিয়ন। লন্ডনের কিংস কলেজের এক গবেষণায় বলা হয়েছিল যে যোদ্ধা হিসেবে আইএসের হয়ে লড়াই করতে যোগ দিয়েছিল যারা, তাদের ১২ শতাংশকে কিশোর বা মাইনর বলে চিহ্নিত করা যায়।

 কেন এসব মানুষ বিভিন্ন দেশ থেকে এত ব্যাপক সংখ্যায় আইএসের কথিত ‘ইসলামি রাষ্ট্রে’ গিয়ে হাজির হয়েছিল? তাদের প্রণোদনা কী ছিল? সাবেক যোদ্ধা এবং যারা যুদ্ধে যোগ না দিয়েও ইসলামিক স্টেটের আকর্ষণে গিয়ে সেখানে বাস করেছে, তাদের সাক্ষাৎকারে দেখা যায় যে এদের এক অংশের প্রণোদনা হচ্ছে ধর্মীয়—তারা মনে করে তারা ‘হিজরত’ করেছে। ইসলামিক স্টেটের সূচনায় আবু বকর আল-বাগদাদি সারা বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি যে আহ্বান করেছিলেন, তাতে সাড়া দিয়েই অনেকে সেখানে যায়। কিন্তু সেটাই একমাত্র কারণ নয়।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক ভেরা মিরোনোভা দেখান যে প্রধানত তিনটি কারণে মানুষ আইএসে যোগ দিয়েছিল। সেগুলো হচ্ছে অর্থ, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ও পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ, যার মধ্যে ছিল কুর্দিবিরোধিতা ও ইরাকে সুন্নিদের প্রতি সরকারের বিরূপ আচরণ এবং নিজ নিজ দেশের সরকারের ব্যাপারে ক্ষোভ। মিরোনোভা লিখেছেন যে বিদেশি যোদ্ধাদের নিজ নিজ দেশের ব্যাপারে ক্ষোভের দুটি দিক ছিল—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি এবং এসব নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদের পথ না থাকা (হু আর দ্য আইএস পিপল? পারস্পেকটিভ অন টেররিজম, ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। অর্থের জন্য যারা যোগ দিয়েছিল, তাদের বড় অংশই এসেছিল সিরিয়া ও ইরাক থেকে। এফ্রেইম বেনমেলেচ ও এস্তেবান ক্লোর এক গবেষণা নিবন্ধে বলেছেন, বিদেশিদের ক্ষেত্রে দারিদ্র্যের কারণে আইএসে যোগ দেওয়ার কোনো প্রমাণ তাঁরা পাননি (হোয়াট এক্সপ্লেইন্স দ্য ফ্লো অব ফরেন ফাইটার্স টু আইএস? টেররিজম অ্যান্ড পলিটিক্যাল ভায়োলেন্স, অক্টোবর ২০১৮)। ফলে যারা কেবল অর্থের জন্য যোগ দিয়েছে, তাদের বাদ দিলে হিজরতের যুক্তিতে বা যোদ্ধা হিসেবে যারা গেছে, তারা আদর্শিকভাবেই আইএসের অনুসারী।

২০১৮ সালের মাঝামাঝি থেকে ইসলামিক রাষ্ট্র বলে কথিত ব্যবস্থার পতন অত্যাসন্ন হয়ে পড়লে বিদেশি যোদ্ধাদের অনেকেই স্বদেশে বা অন্যত্র চলে যায়। স্থানীয় যোদ্ধাদের অনেকে ফেব্রুয়ারি থেকে আত্মসমর্পণ করতে থাকে। আইএস অধিকৃত এলাকাগুলো মুক্ত করার পরে অনেক যোদ্ধাই স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মিশে যায়—২৬ মার্চ ২০১৯, ইউএসএ টুডে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে এই সংখ্যা ৩০ হাজার বলে দাবি করা হয়। ক্ষেত্রবিশেষে স্থানীয় উপজাতিগুলোর সঙ্গে এসডিএফ এ ব্যবস্থা করে যে ওই সব যোদ্ধার পুনর্বাসনের দায়িত্ব উপজাতিদের। সাংবাদিক রবিন রাইট তাঁর এক প্রতিবেদনে রাকার কাছে আল-কারামহতে এ ধরনের একটি পুনর্বাসন ক্যাম্প পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন (দ্য নিউইয়র্কার, ১৬ এপ্রিল ২০১৯)। এ প্রচেষ্টার সবটাই ইতিবাচক, এমন বলা যাবে না। এদের ভেতরে অনেকেই আছে যারা এখনো মানসিকভাবে ইসলামিক স্টেটের আদর্শের সমর্থক।

বিদেশি যোদ্ধাদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকেরাও ছিল। এই সংখ্যা ২০১৪-১৫ সালে ছিল কমপক্ষে ৪০ জন, পরে আরও অনেকে যোগ দিয়েছে। তাদের কেউ কেউ বিভিন্ন সময় নিহত হয়েছে। সাম্প্রতিক কালে বাগুজের পতনের পরে অন্তত ৯ জন বাংলাদেশি সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সের (এসডিএফ) কাছে আত্মসমর্পণ করেছে বা আটক হয়েছে, এর মধ্যে আছেন সাইফুল্লাহ ওজাকি, জুনায়েদ হাসান ও তাহমিদ শফি। ওজাকি বাংলাদেশে আইএসের প্রধান সদস্য সংগ্রহকারী ছিলেন।

আইএসের কট্টর সমর্থক ও যোদ্ধা—যাদের মধ্যে বিদেশিরাও আছে—তারাই শেষ পর্যন্ত বাগুজে লড়াই চালিয়েছে। এসডিএফ ইতিমধ্যে কমপক্ষে এক হাজার বিদেশি যোদ্ধাকে চিহ্নিত করে কারাগারে রেখেছে। বাগুজে শেষ পর্যন্ত ছিল এমন প্রায় ৭০ হাজার মানুষ এখন আছে এসডিএফ ও মার্কিনিদের তৈরি ক্যাম্পে। রোজাভায় অবস্থিত এ ক্যাম্পের নাম আল-হল ক্যাম্প। এগুলোকে ক্যাম্প না বলে বন্দিশিবির বলাই বোধ হয় যথাযথ। শিবিরে থাকা এই আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১১-১২ হাজার নারী ও কমপক্ষে ৩ হাজার শিশু। এদের অধিকাংশের পরিবারের পুরুষ সদস্য যুদ্ধে নিহত হয়েছে। নারীদের অনেকে গেছে বিভিন্ন দেশ থেকে। এদের অনেকে সক্রিয় যোদ্ধা ছিল বলেও অনুমান করা হয়।

এদের ভবিষ্যৎ কী, কেউ জানে না। কেননা, কোনো দেশই তাদের নাগরিকদের, বিশেষ করে যারা যোদ্ধা হিসেবে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে, তাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হচ্ছে না। আটক এসব ব্যক্তির অনেককে ইরাকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছে, কিন্তু ওই সব বিচার কার্যত প্রহসনে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংক্ষিপ্ত বিচারে অন্তত এক শ জনকে মৃত্যুদণ্ড বা দীর্ঘ কারাবাস দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ১৫ জন ফরাসি নাগরিককে ইরাকের আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলেও ফ্রান্স এ বিষয়ে ইরাকি আদালতের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা মিশেল ব্যাশেলেট সম্প্রতি বলেছেন যে ক্যাম্পে থাকা ও আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে বিচারের মুখোমুখি করা দরকার অথবা তাদের ছেড়ে দেওয়া দরকার। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে এসব আটক ব্যক্তিকে কারাগারে যে ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে রাখা হয়েছে, তাতে তাদের মধ্যে আরও বেশি করে ক্ষোভ ও সহিংস হওয়ার প্রবণতা তৈরি হবে কি না। স্মর্তব্য যে আইএসের উত্থানের পেছনে কারাগারের ভেতরে র‍্যাডিক্যালাইজেশনের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৪ সালে আবু বকর আল–বাগদাদি ইরাকের আল-বুকা কারাগারে ৯ মাস আটক থাকার সময়েই আইএসের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ইতিমধ্যে এসব ক্যাম্পে আইএস নতুন করে পুনর্গঠিত হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে এবং এই চেষ্টায় নারীরাই অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে।

আইএসের যেসব যোদ্ধা ও সমর্থক ইতিমধ্যেই নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছে, যারা এখন কারাগারে বা ক্যাম্পে আছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনো ধরনের উদ্যোগের অভাবে যেসব ব্যক্তি সুবিচার পাচ্ছে না, যারা ভবিষ্যতে নিজ দেশ ফিরতে না পেরে অন্যত্র আশ্রয় নেবে বলে আশঙ্কা, তারা ভবিষ্যতে কী ধরনের ভূমিকা নেবে, সেটি আইএস এবং বৈশ্বিক সন্ত্রাসী তৎপরতার পথরেখা নির্ধারণ করে দেবে। কিন্তু কেবল ব্যক্তির ভূমিকা নয়, সাংগঠনিকভাবে আইএসের পদক্ষেপও আগামী দিনের ইঙ্গিত দেয়। বাগুজের পতন সত্ত্বেও আবু বকর আল–বাগদাদি সরে গেছেন অনুমান করা হচ্ছে, তিনি ইরাকের কোথাও আছেন। এপ্রিলের ২৯ তারিখে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে বাগদাদি কেবল তাঁর অস্তিত্বের, তাঁর নেতৃত্বের জানান দেননি, আইএসের সদস্য ও সমর্থকদের মনোবলও জোরদার করেছেন। এই বছরের ১৯ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক ড্যানিয়েল কোটস গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর যে সমন্বিত রিপোর্ট পেশ করেন, তাতে বলা হয়েছে যে আইএস ইতিমধ্যে ৮টি শাখা এবং কমপক্ষে ১২টি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের সমর্থকেরা সংগঠিত হয়ে নতুন করে গেরিলা যুদ্ধের চেষ্টা শুরু করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় আইএসের মনোযোগ দেওয়ার ঘটনা ইতিমধ্যে লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বাগদাদির ২৯ এপ্রিলের ভিডিও বার্তায় শ্রীলঙ্কায় ২১ এপ্রিলের সন্ত্রাসী হামলার উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও অনেকেই এ হামলা আইএসের চালানো কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া একসময় গোটা দক্ষিণ এশিয়াকে খোরাশান প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত বলেই বলা হতো, কিন্তু ১০ ও ১৫ মে আইএস ভারত ও পাকিস্তানকে আলাদা দুটি প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে ও ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বেশ কিছু ছোট আকারের হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। তবে এই অঞ্চলে আইএসের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে আফগানিস্তানে। সিরিয়া ও ইরাক থেকে সরে আসা অনেক যোদ্ধাই এখন আফগানিস্তানে উপস্থিত হয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। তদুপরি নানগার, নুরিস্তান ও কুনার প্রদেশে আইএসের উপস্থিতির কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এসব ঘটনাপ্রবাহ এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আইএসের প্রতিষ্ঠিত কথিত ভৌগোলিকভাবে খিলাফতের পতন হয়েছে, কিন্তু আদর্শ হিসেবে আইএসের আদর্শের পরাজয় হতে এখনো অনেক সময় বাকি আছে।

প্রথম আলো, ০২ জুলাই ২০১৯।

No Comments

Leave a Reply