অনুবাদক যুগে যুগে – জাঁ দিলিল্লে ও জুডিথ উডসওয়ার্থ (পর্ব ২)

Spread the love

 দ্বিতীয় পর্ব

মেসরপ মাশতত্স ও আর্মেনীয় সংস্কৃতির বিকাশ

জনশ্রুতি রয়েছে, ঈশ্বরের বাণী প্রচারের জন্য যিশুখ্রিস্ট যে ১২ জন শিষ্য নির্বাচিত করেছিলেন, সেই বাণী প্রচারকদের কয়েকজনের আর্মেনীয় গির্জার পত্তনের ক্ষেত্রে অবদান রয়েছে। কারণ বলা হয়ে থাকে, যিশু-নির্বাচিত সেই বাণী প্রচারকদের মধ্যে দুজন আর্মেনীয় জনগণকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করেছিলেন (সন্ত বার্থোলোমিউ আর সন্ত জুড, যিনি সন্ত থ্যাডিউস নামেও পরিচিত)। চতুর্থ শতকে, গ্রন্থালঙ্কারিক সন্ত গ্রেগরির প্রভাবে আর্মেনিয়া খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে। মাত্র কয়েক মাস সময়ের মধ্যে প্রায় চল্লিশ লাখ খ্রিস্টানের ব্যাপ্টিজমের মধ্য দিয়ে আর্মেনিয়ার আনুষ্ঠানিক ধর্মান্তর সূচিত হয়। খ্রিস্টধর্মের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শনকারী, কিন্তু তখনো সেটাকে আনুষ্ঠনিক স্বীকৃতি না-দেয়া, (সম্রাট কনস্টান্টিন ও লিসিনিয়াসের) ‘মিলান অনুশাসন’ জারির ঠিক পর পরই এই ঘটনা ঘটে। এবং এর অল্প কিছুদিন পরই, সন্ত গ্রেগরি একটি পেগান উপাসনাস্থলে ‘একমিয়াদজিন ক্যাথেড্রাল’ নামের একটি বড় অট্টালিকা নির্মাণ করেন, যা খ্রিস্টীয় জগতে প্রথম ক্যাথেড্রাল হিসেবে বিবেচিত।

চতুর্থ শতকের শেষের দিকে আর্মেনিয়া তার স্বাধীনতা হারায়: সেটার পশ্চিম অংশ শাসন করত বাইজান্টীয়রা, আর বৃহত্তর বাকি অংশটির আধিপত্য ছিল পারসিকদের হাতে। গোড়ার দিকে আর্মেনিয়ায় গ্রিক ও সিরিয়াক ভাষায় ধর্মশাস্ত্র তথা বাইবেল শিক্ষাদান করা হতো। ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে প্রায়ই নানা টিকা-ভাষ্য দিতে হতো। তাছাড়া গ্রিক ও সিরিয়াক এবং অবরে-সবরে পাহলভি (একটি পারসিক ভাষা) লোকপ্রশাসনের ভাষা ছিল। কারণ সেগুলোই ছিল লিখিত ভাষা, আর্মেনীয় নয়। আর এভাবে ধর্ম, সংস্কৃতি ও লোকপ্রশাসনের ক্ষেত্রে বিদেশী ভাষা ব্যবহার করা হতো এবং বলাই বাহুল্য, তাতে আর্মেনীয় জনসাধারণকে যথেষ্ট দুর্ভোগ পোহাতে হতো। ফলে আর্মেনীয় একটি বর্ণমালা আবিষ্কার করা খুব জরুরি হয়ে পড়েছিল।

ভ্রামশাপুহ-এর (Vramshapuh) রাজত্বকালেই সন্ত মেসরপ মাশতত্স (Mesrop Mashtots, জন্ম আনুমানিক ৩৬১ খ্রি. ও মৃত্যু ৪৪০ খ্রি.) আর্মেনীয় সংস্কৃতিতে তাঁর অমূল্য অবদানটি রাখেন, আর তা হচ্ছে আর্মেনীয় বর্ণমালা, যা তিনি ৩৯২ থেকে ৪০৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে আবিষ্কার করেন। তারন (Taron) প্রদেশের হাতসেকাত্স (Hatsekats) অঞ্চলের স্থানীয় অধিবাসী মেসরপ (মেসরব) আর্সাসিদ রয়্যাল চ্যান্সেরি বা প্রধান বিচারালয়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সামরিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। গ্রিক, পারসিক, সিরিয়াক ও আর্মেনীয়ভাষী মেসরপ ভাষার ক্ষেত্রে এক সহজাত ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। তিনি স্বেচ্ছায় সন্ন্যাসব্রত অবলম্বন করেছিলেন, এবং খ্রিস্টধর্ম প্রচারের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য একটি মঠে সময় কাটাতেন। সে যা-ই হোক, বাইবেল ও গির্জার নানা প্রার্থনানুষ্ঠানের বিধি সিরিয়াকে লিখিত হওয়ায় ধর্মবিশ্বাসী মানুষজনের কাছে তা অনেকটাই অবোধ্য ছিল, এবং আর্মেনীয় ভাষায় ধর্মপ্রচার করতে মেসরপকে ভীষণ বেগ পেতে হতো। এ সমস্যার সমাধানকল্পে তিনি সন্ত গ্রেগরির একজন উত্তরসূরি ও আর্মেনীয় গির্জার প্রধান সাহাক পার্তেভের (Sahak Partev, আর্মেনিয়ার আইজাক বা মহান আইজাক) সাহায্য প্রার্থনা করলেন। সাহাকের আশীর্বাদ ও সহায়তায় মেসরপ তাঁর দেশের জনগণের জন্য একটি বর্ণমালা তৈরির কাজে নেমে পড়লেন।

আর্মেনীয় ভাষার জন্য একটি স্ক্রিপ্ট বা হস্তলিপি তৈরি করা এমন কোনো নতুন ধারণা ছিল না। দানিয়েল নামের এক সিরিয়াক বিশপের কাছে নানা বর্ণমালা-সম্পর্কিত লেখালেখি ও কাগজপত্রের এক বিপুল সংগ্রহ ছিল। সেসব কাগজপত্রের একটিতে আরামায়িক ভাষার উপাদানগুলোর প্রাধান্য ছিল। মেসরপ ও সাহাক এই বর্ণমালা শিশুদের শেখাতে শুরু করলেন, কিন্তু দুই বছর পর তাঁদের কাছে মনে হলো, পরীক্ষাটি বোধহয় ভেস্তে গেল: লেখার এই পদ্ধতি তাঁদের নিজেদের ভাষার ধ্বনিগুলোকে যথেষ্টভাবে তুলে ধরত না। মেসরপ সিরিয়া, এদেসা ও আমিদাতে তাঁর গবেষণা অব্যাহত রাখলেন। তবে সম্ভবত এন্টিয়কেই তিনি প্রতিটি বর্ণের ধ্বনিগত আধেয় (content) নির্ধারণ করলেন। পরে সামোসাতায় (অধুনা, তুরস্কের সামসাতে), গ্রিক ক্যালিগ্রাফি বিশেষজ্ঞ রুফানোস— যিনি রুফিনুস নামেও পরিচিত— তাঁর সাহায্য নিয়ে তিনি বর্ণগুলোর নকশা বা শৈলীর উন্নতি ঘটান।

তিনি যখন আর্মেনিয়া ফিরে এলেন, তখন ছত্রিশটি হরফের একটি বর্ণমালা দাঁড় করানোর প্রয়োজনীয় সব উপাদান তাঁর কাছে মজুদ: দ্বাদশ শতকের শেষের দিকে এসে এর সঙ্গে আরো দুটি হরফ যুক্ত হয়, সম্পূর্ণ হয় ধ্রুপদী আর্মেনীয় বর্ণমালা। দল বা সিলেবল গঠনের জন্য মেরসপ গ্রিক নিয়মাবলিই অনুসরণ করলেন, স্বরবর্ণের প্রচলন ঘটালেন এবং বাম থেকে ডানে লেখার সূত্রপাত করলেন, যা কিনা সিরিয়াক ও অন্যান্য সেমিটিক ভাষার বিপরীত। মেসরপের ভাষাতাত্ত্বিক ধার-কর্জের খুঁটিনাটি সম্পর্কে এখনো যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ রয়ে গেছে, কিন্তু আর্মেনীয় সিস্টেমের ভিত্তি মূলত বর্ণলিপিমূলক (alphabetic, যেখানে প্রতিটি চিহ্ন একটি একক ধ্বনিকে নির্দেশ করে) এবং গ্রিক। গথিক সিস্টেম বা স্লাভিক সিস্টেমের মতো এটি হলো ভুলত্রুটি মুক্ত করা গ্রিক (supplemented Greek, অর্থাত্ যেখানে গ্রিক চিহ্নগুলো ছিল, সেখান থেকে কিছুটা পালটে নতুন কিছু লেখ্য চিহ্ন তৈরি করা হয়েছে)। ঠিক যেমন গথিক সিস্টেম হচ্ছে লাতিন আর রুনিক অক্ষর দিয়ে সংশোধিত গ্রিক; আর আর্মেনীয় সিস্টেসম হলো অ-গ্রিক, বা সেমিটিক অক্ষর দিয়ে সংশোধিত গ্রিক। মেসরপের বর্ণমালা ধ্বনিতাত্ত্বিকভাবে নিখুঁত: এতে বাইশটি চিহ্ন রয়েছে যেগুলো গ্রিক হরফের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। আর সেই সঙ্গে রয়েছে আরো চৌদ্দটি, যেগুলো একান্তই আর্মেনীয়।

বর্ণমালা পেয়ে যাওয়ার পর মেসরপ মাশতত্স, সাহাক আর তাঁদের শিষ্যরা মিলে আর্মেনীয় ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করতে শুরু করলেন। মূল গ্রিক টেক্সটের সম্পূর্ণ কপি জোগাড় করার জন্য সাহাক মেসরপ ও বিশপ ডিন্থকে কনস্টান্টিনোপলে সম্রাট থিওডোসিয়াসের দরবারে পাঠালেন। সাহাক ও মেসরপ ৪৩১ থেকে ৪৩৫-এর মধ্যে তাঁদের দুজন শিষ্য এযনিক আরকোসেফকে এডসোতে পাঠালেন, যেখানে তাঁদেরকে বাইবেলকে সিরিয়াক টেক্সট থেকে আর্মেনীয়তে ভাষান্তরিত করার কথা ছিল। এযনিক ও জোসেফ তখন বাইজেন্টিয়াম ভ্রমণ করলেন, সেখানে তাঁরা গ্রিক ভাষা শিখলেন, যাতে সেই ভাষা থেকে ভালো করে অনুবাদ করতে পারেন। লেওনটিয়াস ভানাডোটসি (Leontius Vanadotsi) এবং কোরিউন স্কানচেলি (Koriun Skancheli) নামের দুজন অনুবাদক এযনিকের সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দলের সদস্য হলেন। কাজ শেষ হওয়ার পর তাঁরা বাইজেন্টিয়াম ত্যাগ করে স্বদেশের উদ্দেশে রওনা হলেন। সঙ্গে নিলেন বাইবেলের কিছু কপি বা নকল, নানা প্যাট্রিস্টিক টেক্সট (দ্বিতীয় শতক থেকে অষ্টম শতকের খ্রিস্টধর্মাবলম্বী লেখকদের সব ধর্মতাত্ত্বিক, দার্শনিক এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদমূলক রচনা), এবং নিসিয়া ও এফিসাস কাউন্সিলের যাজকীয় অনুশাসনগুলো।

অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিযুক্ত এমন যাজকীয় গ্রিক টেক্সটের কপিগুলোর বেশির ভাগই সাহাক ও মেসরপ মাশতত্স অনুবাদ করে ফেলেছিলেন। কনস্টান্টিনোপল থেকে আনা কপিগুলো তাঁদেরকে আগের খসড়াগুলো আবার পরীক্ষা করে দেখার ও ঘষামাজা করার একটা সুযোগ এনে দিল। আর্মেনিয়ায় সাক্ষরতার প্রসার ও খ্রিস্টীয় সুসমাচারের বাণী প্রচারের ব্যাপারে বাইবেল অনুবাদ বেশ সহায়ক একটি ভূমিকা পালন করেছে। বাইবেল অনুবাদ শেষ হওয়ার পর দেশের নেতারা এমন একটি পরিকল্পনা করলেন, যা ছিল বিস্ময়কর রকমের আধুনিক: তারা ঠিক করলেন যে, সরকারি বিদ্যালয়ের একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে দেশের সব মানুষকে সাক্ষর করে গড়ে তুলতে হবে। তাঁরা ভাবলেন, কাজটি করার মাধ্যমে তাঁরা বাইজেন্টীয় ও পারসিকরা যে বিভিন্ন জাতিকে সম্মিলিত বা একীভূত করার প্রয়াস পাচ্ছিল, তার বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরোধ শক্তিশালী করা যাবে।

বর্ণমালা আবিষ্কারই আর্মেনীয় সাহিত্যের স্বর্ণযুগের সূচনা করল। ধর্মীয় টেক্সট ছাড়াও জগতের সেরা রচনাগুলো— প্লেটো, অ্যারিস্টটল, জেনোন ও ইউসিবিয়াস প্রমুখের ইতিহাস, দর্শন, গণিতভিত্তিক লেখা অনূদিত হলো, আর তার ফলে বিচিত্র জ্ঞানকাণ্ডের নানা ধরনের মৌলিক রচনাও সৃষ্টি হতে থাকল, যার মধ্যে ছিল ইতিহাস, ভূগোল, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, মহাকাশবিদ্যা এবং চিকিত্সাশাস্ত্র। মেসরপ ও সাহাকের বদৌলতে আর্মেনিয়া কেবল নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক সমৃদ্ধি অর্জন করার মতো অবস্থানেই উপনীত হলো না, সেসঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিমের মিলনস্থলের মানবসভ্যতায় এক অনন্য অবদান রাখার সক্ষমতা লাভ করল।

বলা হয়ে থাকে, আর্মেনীয় বর্ণমালা আবিষ্কার করার পর মেসরপ মাশতত্স আলবেনীয়দের জন্যও একটি বর্ণমালা তৈরি করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ এই বর্ণমালা একমিয়াদজিনে সংরক্ষিত একটি পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া যায়। মেসরপ জর্জীয় বর্ণমালাও তৈরি করেছিলেন বলে কথিত আছে, যদিও ঐতিহাসিকরা এ ব্যাপারে একমত নন। ‘এটি সম্ভব যে, মেসরপের কাজ জর্জীয় এবং আলবেনীয়দেরকে তাঁদের নিজেদের জাতীয় বর্ণমালা তৈরিতে অনুপ্রাণিত করেছিল। কিন্তু এসব আবিষ্কারের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তাঁকে দেয়া সম্ভব নয়, যা তাঁর জীবনীকার এবং শিষ্য কোরিউন নিজের গুরুর প্রতি জাতীয় গৌরব নয় বরং একটি শিশুসুলভ মুগ্ধতাবশত করেছেন।’

মেসরপের মৃত্যুর পর তাঁর ছাত্রদের এবং অনুবাদকের অন্যতম কোরিউন গুরুর একটি জীবনী রচনা করেন। এটি আর্মেনীয় ভাষায় রচিত প্রথম ও প্রধান মৌলিক রচনাগুলোর একটি। একজন সন্তের জীবনী-লেখকের আবেগ-উচ্ছ্বাস ও মুগ্ধতা এ রচনায় বিশেষভাবে লক্ষণীয়, বিশেষ করে যখন তিনি দশটি অনুজ্ঞা (টেন কমান্ডমেন্টস) হাতে নিয়ে সিনাই পাহাড় থেকে মুসার অবতরণের মতো ‘বুক অব প্রোভার্বস’-এর অনুবাদসহ একমিয়াদজিনের ক্যাথেড্রালে মেসরপের জয়দৃপ্ত আগমনের বর্ণনা দেন।

মেসরপের জনপ্রিয়তা এবং সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো সম্পর্কে ব্যাপক আগ্রহ আর্মেনীয় জনসাধারণের সম্মিলিত কল্পনার পুষ্টিবিধান করেছে। ‘টার্কমানশাতয্’ (Tarkmanchatz) নামের বার্ষিক একটি ‘অনুবাদকদের দিবস’ পালনের মধ্য দিয়ে তাঁর কীর্তিগুলো উদযাপন করা হয়। এই দিনটি দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় এবং এই দিনটির মাধ্যমে অনুবাদক, লেখক ও শিক্ষকদের সম্মান জানানো হয়, যাঁদের আরাধ্য কাজ হচ্ছে জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক ব্যবহারযোগ্য সম্পদ ও সংস্থান পূর্ণ বা পুষ্ট করা এবং নতুন প্রজন্মকে গড়ে-পিটে তোলা। বিদ্যালয়ের নানা পাঠ্যপুস্তকেই আর্মেনিয়ার সত্যিকারের জাতীয় আইকন মেসরপ ও তাঁর আবিষ্কৃত বর্ণমালার ছবি শোভা পায়।

চিত্রকর গ্রেগর খানদিয়ানের তৈরি করা (১৯৮১ খ্রি.) একটি গবলিন ট্যাপেস্ট্রিতে— যেটি একমিয়াদজিন ক্যাথেড্রালে রাখা আছে— রাজা ভ্রামশাপুহের দরবারে রাজসিক ভঙ্গিমায় আর্মেনীয় বর্ণমালা উপস্থাপনের দৃশ্যটি অঙ্কিত হয়েছে। আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে ম্যাটেন্ডরান জাতীয় পাঠাগারের সামনে মেসরপের একটি ভাবগম্ভীর মূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। মেসরপের নামেই পাঠাগারটির নামকরণ করা হয়েছে, এবং সেখানে প্রায় দশ হাজার পাণ্ডুলিপির একটি অমূল্য জাতীয় সম্পদ রক্ষিত আছে।

পর্ব ১ পড়ুন এখানেঃ  ‘অনুবাদকবৃন্দ এবং বর্ণমালা আবিষ্কার

এই পর্বটি দৈনিক বণিকবার্তায় প্রকাশিত হয়েছে  ডিসেম্বর ৩০, ২০১৬ তারিখে।

About গোলাম হোসেন হাবীব

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক।

View all posts by গোলাম হোসেন হাবীব →

Leave a Reply