অর্থনৈতিক উন্নয়নে ‘ক্ষুদে শহর’ প্রস্তাব ।।সারসংক্ষেপ।।

Spread the love
ইবনেজার হাওয়ার্ডের গার্ডেন সিটি ধারনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা শহর লিমা (১৭৫০) (সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/File:Lima1750.jpg)
ইবনেজার হাওয়ার্ডের গার্ডেন সিটি ধারনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা শহর লিমা (১৭৫০) (সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/File:Lima1750.jpg)

[ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক সেলিম রশীদ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ক্ষুদে শহর নির্মান করার গুরুত্ব অনুধাবন করেন এবং একটি নীতি প্রস্তাব রাখেন। এটা নিয়ে বিভিন্ন সেমিনারে অনেক বছর নানারকম তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। পরবর্তিতে পিএরএসপি ছাড়াও সাম্প্রতিকতম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এই ধারনা স্বিকৃত পেয়েছে। মূলধারার নীতি আলোচনায় এটি আরো বেশি গুরুত্বের দাবি রাখে। সেই বিবেচনায় থেকে অধ্যাপক সেলিম রশিদের (স্যার) অনুমতি নিয়ে আমি এর ইংরেজি সার-সংক্ষেপ অনুবাদ করি। কথকতার পাঠকদের কাছে এই অনুদিত সারসংক্ষেপ নিচে উপস্থাপন করছি। ]

 

মূল প্রস্তাবনা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে গ্রামগুলোতে ক্ষুদে শহর (Compact Township/CT) নির্মান করা।

কিন্তু ‘কেন’?

  • পনের কোটি লোকের বসবাস এই দেশে; দেখতে দেখতে তা ২৫ কোটি হয়ে যাবে। এই বাড়তি জনসংখ্যার থাকার ব্যবস্থা কোথায় হবে?
  • ক্রমবর্ধমান এই জনসংখ্যার বসতির যোগান দিতে গিয়ে বছরে শতকরা ১-২ ভাগ হারে ফুরিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি। এভাবে চলতে থাকলে বাড়তি লোকের খ্যাদের যোগান হবে কি করে?
  • ধরা যাক আগামি পচিশ বছরে এদেশের শহরগুলো আকারে বেড়ে দ্বিগুন হবে। তারপরও ২০৩৫ সাল নাগাদ প্রায় ১০ কোটি লোক গ্রামে বসবাস করবে। কিনতু এরমধ্যে ৪ কোটি নারী-পুরুষের থাকার কোন যায়গা থাকবেনা।
  • অবকাঠামোগত উন্নয়ন নগরায়নকে বেগবান করবে হয়ত, কিন্তু এতে করে ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে গ্রাম থেকে শহরে স্থানান্তরের হার বেড়ে যাবে। একসময় শহুরে জনসংখ্যা বর্ধিত অবকাঠামোর ধারনক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে; বস্তিতে মানবেতর পরিবেশে বসবাস করতে হবে এদের একটা বড় অংশকে। দিনে দিনে শহর বাসযোগ্যতা হারাবে, জীবন হয়ে উঠবে দুর্বিসহ। তারচেয়ে সময় থাকতে নাগরিক সুবিধা গ্রামের আবহে নিয়ে যাওয়াই কি বুদ্ধিমানের কাজ নয়?
  • আরেকটি বড় বিবেচনার বিষয় হচ্ছে কর্মসংস্থান। ধরা যাক ২০৩০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা বাড়বে সারে চার কোটি; আর কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীতে যুক্ত হবে আরো প্রায় পাঁচ কোটি নতুন মুখ। অন্যভাবে বলা যায় আগামী বিশ বছরে যে পরিমান কর্মসংস্থান করতে হবে তা স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশের সমান। আর আগামী চল্লিশ বছর কর্মসংস্থানের দরকার হবে আরো আট কোটি কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর যা বর্তমান বাংলাদেশের সমান।
  • ক্ষুদে শহরের ধারনাটি নতুন নয়। তবে এখানে প্রস্তাবনায় এর অপরিহার্যতা, ব্যপক উপযোগীতা এবং সমন্বয়ের প্রয়োজনের উপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

ক্ষুদে শহর কি?

  • গ্রামীন বসতিকে উঁচু জমিতে গুচ্ছ আকারে (in agglomeration) গড়ে তোলা হবে।
  • নতুন জমি গ্রাস করে প্রচলিত ধারার বসতি গড়ে তোলার বিপরিতে এই পদ্ধতিতে বসতি গড়ে উঠবে উপরের দিকে বহুতল নির্মানের মাধ্যমে। বসতি, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আর সুযোগ সুবিধা গুচ্ছ আকারে নির্মানের যে অর্থনৈতিক সাশ্রয় হবে একে আমরা গুচ্ছিকরন সাশ্রয় (Economies of Agglomeration) বলতে পারি যা পরিসরগত সাশ্রয়-(Economies of Scale)এর একটা বিশেষ ধরন।
  • সংজ্ঞার আকারে বলতে গেলে – ক্ষুদে শহর (Compact Township) হচ্ছে উচু জমিতে নির্মিত বহুতল বসতি, হাসপাতাল, স্কুল, বাজার, গ্রামীন শিল্প কারখানা, স্থানীয় সরকারের দপ্তরের একটি গুচ্ছ এলাকা যেখানে ২০ হাজার লোকের বাসযোগ্য অবকাঠামো দেয়া হবে। এর সরকার ব্যবস্থা আর অর্থায়ন হবে প্রধানত স্থানীয় পর্যায়ে। এর ক্ষুদ্র পরিসরে কেবল মোটরবিহীন যান চলাচল করবে; এভাবে ক্ষুদে শহরের আভ্যন্তরীন পরিবহন ব্যবস্থা দক্ষ হলেও তা হবে পরিবেশ বান্ধব।

এ ব্যপারে গ্রামবাসিদের অভিমত কি?

  • গ্রামবাসিদের কাছে ব্যপারটি ব্যাখ্যা করা হলে তারা কি এসব ক্ষুদের শহরে বসবাস করতে রাজি হবে? বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ছাত্রদের পরিচালিত জরীপে দেখা যায় কমপক্ষে শতকরা ৭০ ভাগ গ্রামবাসী এসব ক্ষুদে শহরে স্থানান্তরে রাজি। আদতে শতকরা ৪০ জনও যদি এসব শহরে থাকতে রাজি হয় তাতেই এইসব শহর অর্থনৈতিক ভাবে বাস্তবসম্মত হবে।
  • গ্রামবাসিরা এসব শহরে এসে বসবাস করবে ধরে নিলেও এখানে এর অর্থায়ন একটা ভাববার বিষয়। তারা দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির ব্যপারে সম্মত হলেও এর অর্থ এদের কাছে স্পষ্ট ছিল কিনা তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়ে গেছে।
  • বিশেষ করে একটি গ্রামে ক্ষুদে শহরে স্থানান্তরে শতভাগ আগ্রহ দেখা যায়। তাদের শর্ত হচ্ছে তারা সবাই যেন একসাথে স্থানান্তরের সুযোগ পায়। তবে বলে রাখা ভাল এটা ছিল একটি সংখ্যালঘুদের গ্রাম। সেক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষায় ক্ষুদে শহরগুলো উপযোগি হতে পারে। সেক্ষেত্রে তারা নিজেরাই ঠিক করুক কিভাবে এই স্থানান্তর সম্ভব।

কতটা বাস্তবসম্মত এই ভাবনা?

  • বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যঙ্ক আবাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঋনের কথা ভাবছে। সেক্ষেত্রে এই প্রস্তাবনা তাদের স্কিমের সাথে পুরোপুরি খাপ খাবার কথা।
  • গ্রামীন পরিবেশে ক্ষুদে শহর তৈরি করে একাধারে বন্যা, মৎস্য চাষ, আবাসন এই সকল সমস্যার সমাধান যেমন করা সম্ভব তেমনি এর ফলে শিক্ষা, সাস্থ্য, বিদ্যুত এসব অবকাঠামো যোগান দেয়ার ক্ষেত্রেও বেশ বড়মাপের সাশ্রয় হবে। ফলে ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।
  • আগামি পঞ্চাশ বছরে বন্যা নিরাপদ, পরিবেশ বান্ধব ক্ষুদে শহর নির্মান আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত দরকারি। প্রতিটি ক্ষুদে শহরে ২০ হাজার লোক বসবাস করবে ধরে নিলে আমাদের প্রায় সারে চার হাজার এরকম শহর নির্মান করতে হবে।

ক্ষুদে শহরের উপযোগিতার কিছু দিক

  • মানুষ যখন উচু জমিতে নির্মিত এসব শহরে বসবাস করতে থাকবে তখন বাঁধ নির্মানের প্রয়োজনও কমে আসবে। এতে করে বাধের পেছনে ব্যয়িত সম্পদের সাশ্রয় যেমন হবে তেমনি এই বদ্বীপ অঞ্চলের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাতেও তা সহায়ক হবে।
  • ক্ষুদে শহর প্রকল্পগুলো কতটা বিশাল হবে ভাবতে বসলে হয়ত অবাক হবেন। পেশাদার ইমারত নির্মাতাদের সাথে কথা বলে জানা গেল প্রাথমিকভাবে দেশে বছরে ৫-১০টির বেশি এরকম শহর নির্মান করা সম্ভব হবে না কেবল দক্ষ শ্রমিকের অভাবে।
  • উপরে সমস্যার যে স্বরূপ বর্ণনা করা হয়েছে সেটাতে যদি ভুল না থাকে তাহলে দেখা দরকার এরচেয়ে ভাল কোন সমাধান কি আমাদের হাতে রয়েছে?
  • এখন গুচ্ছ আকারে বসবাসের সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা যাক। শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে একত্রে বসবাসের পূর্বশর্ত হচ্ছে সবার জন্য উপযোগী কালাকানুনের ব্যপারে ঐক্যমত্য। সমন্বয়ের জন্য পারস্পরিক সহযোগীতার প্রয়োজন; স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি করাও এরজন্য দরকারি । আবার উপরে বর্ণিত ধারনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে সহযোগীতার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
  • স্থানীয় শাষনের ব্যপারটি কিছুটা ব্যখ্যার দাবি রাখে। তবে এগুলোর অনেক সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। আমাদের স্থানীয় পর্যায়ের সংগঠন যেমন কমিউনিটি বেসড অর্গানাইজেশনের (সিবিও) এর ওপর জোর দেয়া দরকার। যারা সামাজিক বনায়ন সম্পর্কে অবগত তাদের পক্ষে এর গুরুত্ব বুঝতে অসুবিধা হবে না। ক্ষুদে শহরগুলো এসব সিবিও গড়ে ওঠার প্রক্রিয়াকে আরো সহজ এবং ফলপ্রসু করে তুলবে বলে আশা করা যায়।
  • গ্রামের যেসব পরিবার তাদের পূর্বপুরুষদের ভিটায় থাকতে পছন্দ করবে তারা ভালবোধ করলে তাই করবেন। সেক্ষেত্রে উন্নত অবকাঠামোগত সুবিধা পেতে অসুবিধা হতে পারে এটা বিবেচনায় রাখা দরকার।
  • হাওড় এলাকার ভুপ্রকৃতির দরুন সেখানে ক্ষুদে শহরের উপযোগীতা বিশেষভাবে লক্ষ্যনীয়। এছাড়া আর্সেনিক দুষন মোকাবেলার সবচেয়ে স্বল্পমূল্যের সমাধান হচ্ছে জলাধারে সঞ্চয় করে পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা। আর এজন্য ক্ষুদে শহরে গুচ্ছ আকারে অনেক মানুষ একত্রে বসবাস সাশ্রয়ী সমাধান হতে পারে।
  • এছারা চর এবং উপকূলীয় এলাকাতেও ক্ষুদে শহর কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে এসব এলাকার ক্রমপরিবর্তনশিল ভুমি মালিকানা, পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুকি আর জলবায়ু পরিবর্তনের নিরিখে সবচেয়ে ঝুকির ব্যপারগুলো বিশেষ ভাবে লক্ষ্যনীয়।
  • ভাল ভাল কিছু সম্ভাবনার কথা বলা হল। এসব বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ স্থানগুলো দিয়ে শুরু করলেও বলা বাহুল্য ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ সামাল দিতে বাংলাদেশের পরিকল্পনাকে সাধারনভাবে এই ক্ষুদে শহরমুখি করা চাই।
  • ঘুর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকাগুলোতে পূনর্বাসনের ক্ষেত্রে আমরা ক্ষুদের শহরের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারি।
  • জেলেদের গ্রামের কথাই ধরা যাক। এরা যদি শহরের সুবিধায় বসবাস করে সেখানে ভৌগলিক প্রযুক্তি (যেমন জিপিএস) ব্যবহার করে এরা সহজেই সাগরের অবস্থা পর্যবেক্ষন এবং সাগরে থেকেও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে। আর রপ্তানিযোগ্য মাছ ধরে নিজেরাই শহরের ভেতরে হিমায়নের ব্যবস্থা করতে পারবে। এতে করে মধ্যসত্ত্বভোগিদের শোসনের শিকার হতে হবে না তাদের।
  • প্রায় ২ হাজার ঘুর্নিঝড় পূনর্বাসন কেন্দ্রের কথা বলা হয়েছে। কিছুটা সমন্বয়ের মাধ্যমে এগুলোকে ক্ষুদে শহর হিসাবে গড়ে তুলতে পারলে তা সার্বক্ষনিক ভাবে কাজে লাগত।

আর্থিক বিবেচনা

  • সতর্কতার সাথে ডিজাইন করা সম্ভব হলে ক্ষুদে শহরকে ইকোসিটি (eco-city)বা পরিবেশবান্ধব শহর হিসাবে তৈরি করা সম্ভব। শহরপ্রতি ৫৫০ কোটি টাকা এবং ৯৫ একর জমির দরকার হবে। যদি এর ৫ এর ৪ ভাগ খরচ বসবাসকারিদের কাছ থেকে দীর্ঘ মেয়াদি ঋনের ভিত্তিতে উঠে আসে তাতে ৪৪০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে পরিবারগুলোকে। বলাবাহুল্য আর কম খরচেও এগুলো নির্মান করা সম্ভব।
  • তুলনার সুবিধার জন্য চারটি উপজেলা নিয়ে ১৯৯১ সালে জাইকার আদর্শ গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের কথাই ধরা যাক। আবাসন খরচ বাদ দিয়েই এতে ১১ শ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল (মূল্যস্ফিতির সহ)।
  • যদি সুদবিহিন কিস্তিতে এসব বাড়ি বিক্রি করা যায় তাতে পরিবারপ্রতি ২০০ বর্গফুটের ঘরের খরচ হবে মাসে ২ হাজার টাকা। টাকার পরিমান সামান্য  নয়। কিন্তু একে ঢাকায় ১০০ বর্গফুটের কোয়ার্টারের সাথে তুলনা করা যাক। ঢাকায় এরকম একটি ইউনিটের ভাড়া  প্রতি মাসে ১৪০০ টাকা যেখানে রান্নাঘর এবং টয়লেট অনেকগুলো পরিবার একসাথে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়। কাজেই প্রতি বর্গফুটে ঢাকায় যেখানে ১৪ টাকা ভাড়া হিসাবে দিতে হচ্ছে এইসব ক্ষুদে শহরে প্রতি বর্গফুটে মাসিক ক্রয়মূল্য দাড়াচ্ছে ১০ টাকা। অবশ্য আগেই বলা হয়েছে যে আরও কম খরচেও এগুলো নির্মান করা সম্ভব।

** পূর্বে অন্যত্র প্রকাশিত হলেও বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিতর্কে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে কথকতায় পুনঃপ্রকাশ করা হল।

[সেলিম রশীদ সম্পর্কেঃ সেলিম রশীদ ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক। তিনি লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্স থেকে বিএসসি এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। তাঁর গবেষনার বিষয়ের মধ্যে উন্নয়ন অর্থনীতি, অর্থনৈতিক তত্ত্ব, ধর্ম ও অর্থনীতি উল্লেখযোগ্য। বহু নিবন্ধের পাশাপাশি তিনি পাঁচটি বই লিখেছেন আর চারটি ভলিউম সম্পাদনা করেছেন। গত ত্রিশ বছর যাবত তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যেমন বিশ্বব্যংক এবং এশিয় উন্নয়ন ব্যংকে  তিনি কন্সালটেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন । এছারাও অধ্যাপক রশীদ জার্নাল অব এশিয়া পেসিফিক ইকনমির সহ-সম্পাদক এবং এসোসিএশন অব ইকনমিক এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ অন বাংলাদেশ- এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ]

Leave a Reply