কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

Spread the love

কেনিয়ার সুপ্রিম কোর্ট আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে দিয়ে আগামী ষাট দিনের মধ্যে আবার নির্বাচন করার নির্দেশ দিয়েছে। এই রায়ের মধ্য দিয়ে এমন কিছু বিষয় উঠে এসেছে যা গণতন্ত্র বিষয়ে যারা পঠন-পাঠন করেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চর্চায় উৎসাহী এবং নির্বাচনের সততা ও গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে যাদের আগ্রহ রয়েছে তাঁদের মনোযোগ দাবী করে।

এই রায় এসেছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘পরাজিত’ প্রার্থীর একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে। কেনিয়ায় ৮ আগস্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দেশের নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট উহরু কেনিয়াত্তাকে ১৪ লাখ ভোটে বিজয়ী বলে ঘোষনা করে। উরহু কেনিয়াত্তা কেনিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা জোমো কেনিয়াত্তার পুত্র। নির্বাচনের পর বিরোধী জোট – ন্যাশনাল সুপার এলায়েন্স (নাসা)’র প্রার্থী রাইলা ওডিঙ্গা আদালতে নির্বাচনের ফলাফল বাতিলের জন্যে আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতিসহ চারজন বিচারক পক্ষে এবং দুইজন বিচারক বিপক্ষে মতামত দিয়েছেন।

আফ্রিকার কোনো দেশে এই প্রথম ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আদালত রায় দিলো। সেই বিবেচনায় এটি অভূতপূর্ব; আর তাই ১ সেপ্টেম্বর কেবল কেনিয়া নয়, গোটা আফ্রিকা মহাদেশের রাজনীতির জন্যে এক ঐতিহাসিক দিন হয়ে উঠলো। একার্থে এর তাৎপর্য রয়েছে আফ্রিকার বাইরেও।

এই রায়ের পর প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তা বলেছেন যে তিনি এই রায়ের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে ভিন্নমত পোষণ করেন কিন্ত তিনি এই রায় মেনে নিচ্ছেন। তিনি তাঁর সমর্থকদের প্রতি শান্ত থাকারও আহবান জানিয়েছেন। তবে তিনি এও বলেছেন, ‘আমি দুঃখিত যে ছয়জন মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাঁরা জনগণের ইচ্ছের বিরুদ্ধে যাবেন’। অন্যদিকে ওডিঙ্গার সমর্থকরা এই রায়ে আনন্দিত এবং একে তাঁরা গণতন্ত্রের বিজয় বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা দেশের বিভিন্ন শহরে আনন্দ মিছিল করেছেন বলেও গণমাধ্যমে খবর এসেছে। ওডিঙ্গা বলেছেন,‘আমাদের আদালত জানেন যে তাঁদের শক্তি আছে’।

নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে দেয়া রায়ের সংক্ষিপ্ত রায় প্রকাশিত হয়েছে, পূরো রায় প্রকাশিত হবে আগামী তিন সপ্তাহের ভেতরে। তবে সংক্ষিপ্ত রায় থেকে দেখা যায় যে, আদালত এই রায় বাতিল করেছেন ভোটের হিসেবে কে কত ভোট পেয়েছেন এবং তাদের মধ্যে ভোটের পার্থক্য কতটুকু সেই বিবেচনায় নয়, কেননা অনেকেই আশঙ্কা করছিলেন যে বিজয়ী বলে ঘোষিত কেনিয়াত্তার ভোটের পরিমানের কারণে আদালতের পক্ষে এটা বলা প্রায় অসম্ভব হবে যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। আদালত এই কারণে নির্বাচন বাতিল করে দিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশন ফলাফল যেভাবে ঘোষণা করেছে এবং যেভাবে তা জানানো হয়েছে তার মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। আদালত মনে করেন যে নির্বাচন কমিশন সংবিধান সম্মতভাবে নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

কেনিয়ার নির্বাচনী ব্যবস্থা অনুযায়ী দেশের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব হচ্ছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইলেকটোরাল এ্যান্ড বাউন্ডারিস কমিশনের (আইইবিসি)। দেশে ৪০ হাজারের বেশি নির্বাচনী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিলো। নিয়ামানুযায়ী প্রত্যেকটি কেন্দ্র থেকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে ফলাফল কমিশনে পাঠানোর পাশাপাশি লিখিত এবং সংশ্লিষ্ট সকলের স্বাক্ষরিত ফলাফল সম্বলিত একটি ফরম কমিশনে আসার কথা। নির্বাচনের পর বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলো যে, এই ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা ‘হ্যাক’ করা হয়েছে এবং ফলাফল বদলে দেয়া হয়েছে। এই অভিযোগের দুটো কারণ ছিলো – প্রথমত নির্বাচনের অব্যবহিত আগে ইলেক্ট্রনিক ভোট ব্যবস্থার দায়িত্বে নিয়োজিত একজন কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় এবং দেখা যায় যে তাঁকে নিপীড়ন করা হয়েছিলো; দ্বিতীয়ত নির্বাচন কমিশন বলেছিল যে নির্বাচনের ভোট গণনার সময়ে ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থা হ্যাক করার ব্যর্থ চেষ্টা হয়েছিলো। তবে বিরোধীদের এই অভিযোগ আদালতে এবং অন্যান্য নিরীক্ষায় সমর্থিত হয়নি। অবশ্য নির্বাচনের পরের দিনগুলোতে জানা যায় যে, স্বাক্ষরযুক্ত যে সব ফরম আইএবিসি’তে আসার কথা তার ১১ হাজার ফরম কমিশনে আসেনি বা সেগুলো হারিয়ে গেছে। আদালত সুস্পষ্টভাবে বলেছেন যে, প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তা কোনো ধরণের অন্যায় আচরণ করেন নি। কিন্ত আদালতের রায়ে অসঙ্গতি বা ইরেগুলারিটিজ হয়েছে উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে এতে করে নির্বাচনের ইন্টিগ্রিটি বা সততা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। নির্বাচনের পর বিরোধী পক্ষ এই বিষয়ে বারবার বলার চেষ্টা করেছে। নির্বাচনের ফলাফলের পর বিরোধীরা রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁদের দাবি মেনে নেয়ানোর জন্যে চেষ্টা চালিয়ে খুব সফল হয়নি; স্মরণ করা যেতে পারে যে ২০০৭ সালে কেনিয়ায় নির্বাচনের পর মাসাধিক কাল ধরে সহিংসতা অব্যাহত ছিলো এবং তাতে কমপক্ষে তেরোশো লোকের প্রাণহানি ঘটে, কমপক্ষে ৬ লাখ মানুষ বাস্তচ্যুত হয়েছিলেন। সেই নির্বাচনেও বিরোধী প্রার্থী রাইলা ওডিঙ্গা পরাজিত হয়েছিলেন।

তবে এই বছরের নির্বাচন তুলামূলকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদিত হয়েছিলো। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসেব অনুযায়ী নির্বাচনের সময় সহিংসতায় কমপক্ষে ২৮ জন মারা যান। নির্বাচনের পরে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনকে ‘অবাধ ও নিরপেক্ষ’ বলেই ঘোষণা করেছিলেন। দেশের পর্যবেক্ষকরাও তাতে একমত হন। ফলে আদালতের এই রায়ের পরে অনেকেই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সমালোচনা করছেন। অতীতে এমন কথা বলা হয়েছে যে, আফ্রিকার দেশগুলোতে ক্ষমতাসীনরা এতটাই শক্তিশালী যে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলেন না। এবারের কেনিয়ার নির্বাচন বিষয়ে পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত সমালোচনার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন করার কারণ নেই। পর্যবেক্ষকরা নিশ্চয় এই জন্যে সমালোচিত হবেন।

কিন্ত পাশাপাশি যেটা আবারও প্রমানিত হয়েছে সেটাও আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে। আর তা হল যে কোনো দেশের নির্বাচন কেবল ভোটের দিনের বিষয় নয়, কিংবা ভোট দেয়া হল কিনা সেটাই অবাধ নির্বাচন মাপার একমাত্র মাপকাঠি নয়। নির্বাচন একটি প্রক্রিয়া এবং ভোট গ্রহণের আগে-পরে কী ঘটছে, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশন কতটা সক্ষম এবং কতটা প্রভাবমুক্ত সেগুলো বিবেচনায় না নিলে নির্বাচনের মূল বিষয়টিই শেষ পর্যন্ত পরাজিত হতে পারে। এই সব ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটলে নির্বাচন কেবল আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত হয়। এটি বিশেষ করে দেখার বিষয় সেইসব দেশে যেখানে স্বাধীন, শক্তিশালী এবং প্রভাবমুক্ত নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠেনি; ক্ষমতাসীনদের প্রভাবের বিষয়টি বিরাজমান রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপরেও নির্ভর করে। কেনিয়ার সুপ্রিম কোর্ট সে ধরণের অসংগতির দিকে মনোযোগ দিয়েছে সেগুলো পদ্ধতিগত এবং তার তাৎপর্য নির্বাচন পদ্ধতির সততা ও গ্রহণযোগ্যতার জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ষাট দিনের ভেতরে দেশের নির্বাচন কমিশন কিভাবে তা মোকাবেলা করেন সেটা এখন দেখার বিষয়।

এই রায়ের পর কেনিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জোর দিয়ে বলছেন যে এই রায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চর্চার উদাহরণ তৈরি করলো। এটা ঠিক যে, শুধু কেনিয়া নয় আফ্রিকার অন্যান্য দেশেও (এবং অন্যান্য মাহদেশের বিভিন্ন দেশেও) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেক সময়েই নির্বাহী বিভাগের চাপের কারণে সীমিত হয়ে যায়। বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে এমন ধারণা খুব প্রতিষ্ঠিত বলে মনে করলে ভুল হবে না। কিন্ত কেনিয়ার সুপ্রিম কোর্টের এই রায় সেই ধারার বিপরীতেই গেছে। এ থেকে এই উপসংহারেও পৌছা যায় যে, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী এবং স্বাধীন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগের প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানের ত্রুটি বিচ্যুতি মোকাবেলা করতে পারে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের এই অভাবনীয় সিদ্ধান্তের জন্যে কেনিয়ার অনেক গণমাধ্যম দেশের প্রধান বিচারপতি ডেভিড মারাগার প্রশংসাই শুধু করছেন না তাঁকেই এই কৃতিত্বের প্রধান স্থপতি বলে বিবেচনা করছেন।

বিচারপতি মারাগা তাঁর রায়ে যা বলেছেন তাতে আছে যে কোনো দেশের মহত্ব তার সংবিধানের প্রতি বিশ্বস্ততা এবং কঠোরভাবে আইনের শাসন অনুসরনের মধ্যে নিহিত। ৬৬ বছর বয়সী বিচারপতি মারাগা দেশের প্রধান বিচারপতি হন গত বছর, তাঁর পূর্বসূরি সময়ের আগেই অবসর গ্রহণ করার কারণে। সেই সময়ে ১০ জন মেধাবী বিচারক, একাডেমিক এবং আইনজীবী যাদেরকে সম্ভাব্য প্রার্থী বলে বিবেচনা করা হতো তাঁদের পরাজিত করে তিনি নিয়োগপ্রাপ্ত হন। কেনিয়ায় প্রধান বিচারপতি পদে মনোনয়ন দেয় জুডিসিয়াল সার্ভিসেস কমিশন (জেএসসি) এবং প্রেসিডেন্ট তাঁকে নিয়োগ দেন। তাঁর মনোনয়নের সময় তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ নেবার অভিযোগ তোলার চেষ্টা হয়েছিলো, সেই সময়ে তিনি টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বাইবেলে হাত রেখে বলেছিলেন তিনি জীবনে কখনো ঘুষ নেননি।

প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তার নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও বিচারপতি মারাগা প্রেসিডেন্টের অগ্রহণযোগ্য কথাবার্তা দ্বিধাহীনভাবেই প্রত্যাখ্যান করে এসেছেন। এই বছরের গোড়ার দিকে নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময়ে কেনিয়াত্তা মারাগার এলাকায় গিয়ে এক বক্তৃতায় বলেন যে ঐ এলাকার লোকজনের উচিত হবে তাঁকে ভোট দেয়া কেননা তিনি ‘তাঁদের ছেলেকে’ চাকুরি দিয়েছেন। এর উত্তরে প্রধান বিচারপতি জেএসসি’র মাধ্যমে এক বিবৃতিতে বলেন যে, তিনি সরকারের কোনো প্রকল্প নয়।

কেনিয়াত্তা এই রায়ের পরে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় যতটা সহনশীলতা দেখিয়েছিলেন পরে তাঁর কন্ঠস্বরে পরিবর্তন এসেছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায় তিনি বলেছেন যে, ‘বিচারপতিদের বিদেশীরা আর নির্বোধেরা অর্থ দিয়েছে’। তিনি এও বলেন যে, ‘মারাগা আর তাঁর গুন্ডা-(থাগ)রা নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে’।

এই রায়ের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন বিচার বিভাগের স্বাধীন আচরণের ইঙ্গিত পাওয়া গেলো তেমনি এই ঐতিহাসিক রায় দেশে অনিশ্চয়তার আশঙ্কাও তৈরি করলো। এই অনিশ্চয়তা দেশকে কোন পথে নিয়ে যাবে সেটা সারা পৃথিবী অবশ্যই গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করবে।

ইলিনয়, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

About আলী রীয়াজ

আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক । তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিইচ-ডি ডিগ্রি লাভ করেন। ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেওয়ার আগে অধ্যাপক রীয়াজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বৃটেনের লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্ল্যাফলিন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এ ছাড়া তিনি লন্ডনে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। ইংরেজিতে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দশটি। এর মধ্যে রয়েছে– ‘পলিটিক্যাল ইসলাম এন্ড গভর্নেন্স ইন বাংলাদেশ’ (২০১০), ‘ফেইথফুল এডুকেশন : মাদ্রাসাজ ইন সাউথ এশিয়া’ (২০০৮) এবং ‘গড উইলিং – দি পলিটিক্স অব ইসলামিজম ইন বাংলাদেশ’ (২০০৪)। বাংলা ভাষায়ও তাঁর অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ‘স্টাডিজ অন এশিয়া’ জার্নালের সম্পাদক। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি এবং রাজনৈতিক ইসলাম বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তাঁর স্বীকৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি ২০১২ সালে ডক্টর রীয়াজকে ‘ইউনিভার্সিটি প্রফেসর’ পদে ভূষিত করে। ২০১৩ সালে তিনি ওয়াশিংটনে উড্রো উইলসন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্কলারস-এ পাবলিক পলিসি স্কলার হিসেবে কাজ করেন।

View all posts by আলী রীয়াজ →

Leave a Reply