রাষ্ট্রের তিন অঙ্গের মধ্যে ‘সমন্বয়’ নয়, চাই ভারসাম্য

Spread the love

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ—আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের মধ্যে ‘সমন্বয় থাকার’ ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শনিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের জন্য আবাসিক ভবন উদ্বোধন করার সময় তিনি বলেছেন, ‘একে অন্যের সম্পূরক হিসেবেই কাজ করবে।’ (প্রথম আলো, ১৫ এপ্রিল ২০১৭)

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য কেবল আমাদের মনোযোগই দাবি করে না, এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা খুব জরুরি বলেই আমার ধারণা। আর এই আলোচনায় কেবল সাংবাদিক, সংবাদ বিশ্লেষক এবং সংবিধানবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নয়, দেশের সমাজবিজ্ঞানীদের, বিশেষত রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের অংশ নেওয়া অত্যাবশ্যক। কেননা, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে রাষ্ট্রের কাঠামো, বিশেষত উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের (অর্থাৎ লিবারেল ডেমোক্রেটিক স্টেট) কাঠামো সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। আমি আশা করি বাংলাদেশের রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা এর তত্ত্বগত দিকের প্রতি নজর দেবেন দুই কারণে—প্রথমত, রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের ভেতরে যে সম্পর্ক থাকার কথা সাধারণভাবে বলা হয়, তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কার্যত মেলে না। দ্বিতীয়ত, স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ৪৫ বছর পার হলেও বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনপ্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়ে যায়নি। একার্থে রাষ্ট্র গঠনপ্রক্রিয়া কোনো দেশেই একেবারে চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছায় না, ফলে রাষ্ট্রের চরিত্র বদলের সম্ভাবনা সব সময়ই থেকে যায়। যেহেতু বাংলাদেশে রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চলছে, সেহেতু প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য ভবিষ্যতে এই রাষ্ট্রের কাঠামোর ইঙ্গিতবাহী, সেটাও তাঁদের বিবেচনা দাবি করে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য এই বিষয়ে আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে। আমি আশা করি তিনি, তাঁর সরকার এবং তাঁর দল এই আলোচনায় বাধা না দিয়ে অংশ নেবে; তাহলে আমরা প্রধানমন্ত্রীর এবং তাঁর সরকারের আদর্শিক অবস্থানটি বুঝতে পারব; যাঁরা দ্বিমত পোষণ করেন, তাঁরাও তাঁদের বক্তব্য হাজির করতে পারবেন। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই আলোচনাটি বিশেষভাবে জরুরি। কেননা, এই তিন অঙ্গের মধ্যকার সম্পর্ক বাংলাদেশের সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে লিখিত হলেও বাস্তবে তা এখনো মীমাংসিত বিষয় নয়। আর সেটা বোঝার জন্য চলমান মাসদার হোসেন মামলার (যা নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে বিচার বিভাগের সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট) উল্লেখই যথেষ্ট। সেই পটভূমিকায় আমাদের আলোচনা করা দরকার যে বাংলাদেশে এই তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কী ধরনের সম্পর্ক ক্ষমতাসীনেরা দেখতে চান।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিভিন্ন মৌলিক ধারণা বা কনসেপ্টের বিবর্তনের ইতিহাস এবং আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাস থেকে আমরা বলতে পারি যে একটি রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ থাকবে এই ধারণার সূচনা অ্যারিস্টোটলের রাষ্ট্রচিন্তায়। তবে সেটিকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেন মন্টেস্কু। অষ্টাদশ শতাব্দীর এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ১৭৪৮ সালে প্রকাশিত দ্য স্পিরিট অব ল গ্রন্থে এই তিন বিভাগের ধারণা উপস্থাপন করেন। তবে এটা অনস্বীকার্য যে এই প্রতিষ্ঠানের ধারণা বিকাশ লাভ করেছে সংবিধানবাদ বা কনস্টিটিউশনালিজমের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে। আধুনিক রাষ্ট্র যতই ব্যক্তির ইচ্ছে (যেমন রাজা বা সম্রাট) বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের (যেমন চার্চ) আনুগত্যের বাইরে নিজেদের স্বাধীন অস্তিত্ব তৈরি করেছে, ততই এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিকশিত হয়েছে। ইউরোপের সমাজে বণিকশ্রেণির এবং পরে মধ্যবিত্তের বিকাশ এই তাগিদকে শক্তিশালী করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টি সহজেই নির্ধারিত হয়েছে তা মনে করার কারণ নেই। কেননা, ইতিহাস এটাও জানায় যে রাজা বা সম্রাটরা আদালত প্রতিষ্ঠা করেছেন, তাঁদের রাজদরবারও ছিল; ইউরোপে যখন রাষ্ট্র চার্চের অধীন ছিল তখন চার্চ বিচার করার একধরনের প্রক্রিয়াও বহাল রেখেছিল। কিন্তু এগুলো স্বাধীনভাবে সবাইকে সমানভাবে বিবেচনা করতে সক্ষম হয়নি, অন্যদিকে ক্ষমতা একই গোষ্ঠীর হাতে থেকেছে। অর্থাৎ আইনপ্রণেতা, আইনের প্রয়োগকারী এবং বিচারক একই মানুষ বা একই গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। আধুনিক রাষ্ট্র বা লিবারেল স্টেট এই ক্ষমতাগুলোকে আলাদা করা অত্যাবশ্যকীয় বিবেচনা করেছে।

গণতন্ত্রের রূপ ও কাঠামো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও গত এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে উদার রাষ্ট্রের যেসব মৌলিক বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা একমত তার মধ্যে আছে—১. ব্যক্তির সার্বভৌমত্ব; ২. ব্যক্তি হিসেবে নাগরিকের স্বাধীনতা; ৩. জনগণের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা; এবং ৪. রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের স্বাধীন উপস্থিতি এবং ক্ষমতার মধ্যে বিভাজন, যাকে বলা হয় ‘সেপারেশন অব পাওয়ার’। যেকোনো আধুনিক রাষ্ট্রের পৌরবিজ্ঞান বা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম পাঠেই যে এই বিষয়গুলো উল্লেখিত ও আলোচিত হয়, তার অন্যতম কারণ হচ্ছে এগুলোকে বাদ দিয়ে কোনো রাষ্ট্র নিজেকে লিবারেল স্টেট বলে দাবি করতে পারে না।

যদিও শেষোক্ত বিষয়টি অনেক ধরনের বিতর্কের মধ্য দিয়ে গেছে, তথাপি এর মর্মবস্তুর বিষয়ে দ্বিমত নেই। আর তা হলো প্রতিটি প্রতিষ্ঠান পরস্পর থেকে আলাদা থাকবে এবং তাদের নির্ধারিত ভূমিকা স্বাধীনভাবে পালন করবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি আরেকটির ওপরে কার্যত নজরদারি করবে। নির্বাহী বিভাগ যেন ইচ্ছেমতো চলতে না পারে তা একাদিক্রমে আইনপ্রণেতারা (অর্থাৎ আইনসভা) এবং বিচার বিভাগ দেখবে। আইনপ্রণেতারা যেন এমন আইন তৈরি করতে না পারেন, যা নাগরিকের অধিকারকে সীমিত করে, তা দেখার দায়িত্ব বিচার বিভাগের। একেই ‘চেক অ্যান্ড ব্যালান্স’ বলে অভিহিত করা হয়। স্বাধীনভাবে এগুলো চলার অর্থ হচ্ছে কেউ কারও মুখাপেক্ষী হবে না, কেউ কারও সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পদক্ষেপ নেবে না। মন্টেস্কু এই তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষমতার ভাগ করতে বলেছিলেন। কেননা, এর অন্যথা হলে নাগরিকের ‘স্বাধীনতা’ (তাঁর ভাষায় ‘লিবার্টি’) থাকবে না।

যদি একের পদক্ষেপ অন্যের বিবেচনাকে প্রাধান্য দেয়, একে অন্যের সঙ্গে সমন্বয় করে পদক্ষেপ নেয়, তাহলে নজরদারির সুযোগ থাকবে না, তাহলে একার্থে সব প্রতিষ্ঠানই এক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। সেটা লিবারেল রাষ্ট্রের চরিত্র হতে পারে না। আর তাহলে নাগরিকের অধিকার এবং স্বাধীনতা যে রক্ষিত হবে না, সেটা মন্টেস্কু ১৭৪৮ সালেই বলে গেছেন।

ক্ষমতার এই বিভাজন বা সেপারেশন যে কতটা দরকার এবং তা কীভাবে কাজ করে তার অনেক উদাহরণ রয়েছে। সাম্প্রতিক কালে যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত ঘটনাবলি এই বিষয়ে আমাদের সহজেই ধারণা দেয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, উপকণ্ঠে প্রায় হুংকারের মতো করে বলেছিলেন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে তিনি অবিলম্বে বাস্তবায়িত করবেন, ক্ষেত্রবিশেষে প্রথম দিনেই বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছিলেন এমন কিছু বিষয়, যেগুলো ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত প্রায় ১০০ দিন পরেও বাস্তবায়িত হয়নি। কেননা, তিনি সেগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেননি। এর মধ্যে একটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে (প্রথমে সাতটি এবং পরে) ছয়টি মুসলিমপ্রধান দেশ থেকে যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং আরেকটি হচ্ছে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার করা স্বাস্থ্য বিমাব্যবস্থা, যা ওবামাকেয়ার বলে পরিচিত, তা বাতিল করা। প্রথম ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জারি করা প্রথম নির্বাহী আদেশের বাস্তবায়ন দেশের একটি আদালত স্থগিত করে দেন, পরে তা সংশোধিত আকারে আবার জারি করা হলেও আরেক আদালত তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দিয়েছেন। একটি আদালতের তিনজন বিচারক তাঁদের দেওয়া রুলিংয়ে বলেছিলেন যে অভিবাসন এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা এবং কর্তৃত্ব প্রশ্ন করা যাবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে, তা অগণতান্ত্রিক। এ ক্ষেত্রে আদালত নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার রাশ টেনে ধরেছেন। ওবামাকেয়ার বাতিলের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রীতিমতো হুমকি দিলেও দেশের আইনপ্রণেতাদের বড় অংশ তাঁর সঙ্গে একমত হননি এবং তাঁর কাঙ্ক্ষিত বিল পাস হয়নি। মনে রাখা দরকার, যে আইনসভা প্রেসিডেন্টের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করল না তার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তাঁর নিজের দলের। নির্বাহী বিভাগের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই আইন বিভাগের কাজ নয়, সেটা প্রমাণিত হলো।

নির্বাহী বিভাগ এবং আইন বিভাগের মধ্যে যখন বিভাজন স্পষ্ট (যেমন প্রেসিডেন্ট শাসিত মার্কিন ব্যবস্থা, যেখানে আইনসভা অনেক শক্তিশালী) সেখানে এই ধরনের চেক অ্যান্ড ব্যালান্স যতটা সহজ, সংসদীয় ব্যবস্থায় ততটা নয়। কেননা, আপাতদৃষ্টে নির্বাহী বিভাগ আইনসভার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। কিন্তু তা সত্ত্বেও ক্ষমতার এই চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের ব্যবস্থা যদি না থাকে, তবে তা শুধু গণতন্ত্রের অনুপস্থিতির ইঙ্গিত করে না, রাষ্ট্রের লিবারেল চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলে। যে কারণে সেসব দেশে শক্তিশালী সংসদীয় ব্যবস্থা কার্যকর, সেখানে এমনকি ক্ষমতাসীন দলের সাংসদেরাও তাঁদের সরকারের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করতে পারেন, তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন। যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে ওই দলের সাংসদদের ভোট দেওয়ার ঘটনা অহরহই ঘটে। এটিই হচ্ছে নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে আইনসভার বিভাজন।

এই ধরনের ব্যবস্থা যেখানে সাংবিধানিকভাবেই সম্পূর্ণ অনুপস্থিত, সেখানে ইতিমধ্যে নির্বাহী বিভাগের ওপর নজরদারির একটি পথ বন্ধ হয়ে আছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের সংসদে কার্যকর বিরোধী দলের অনুপস্থিতি বিষয়ে আমরা অবগত। ফলে আইন সভা এবং নির্বাহী বিভাগের মধ্যে একধরনের ‘সমন্বয়’ ইতিমধ্যেই উপস্থিত, সেখানে বাকিটুকু সমন্বিত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের আলাদা অবস্থান থাকবে মনে করার কারণ নেই। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে আইন প্রণয়নের আগেই আদালতের বিচারকেরা আইনপ্রণেতাদের বলতে পারেন না তাঁরা কী আইন করবেন, তেমনি আইনসভার সদস্যরা অনেক পরিশ্রম করে আইন তৈরি করেছেন বলেই আদালত তাতে সম্মতি দিলে আদালত তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন এমন বলা অসম্ভব হবে। ফলে তিন বিভাগের কাজে সমন্বয়ের চেয়েও জরুরি হচ্ছে একে অপরের কাজের ওপরে নজর রাখা, স্বাধীনভাবে কাজ করা—রাষ্ট্রের চরিত্র না বদলাতে চাইলে সেটাই দরকার।

প্রথম আলো’তে প্রকাশিত ১৭ এপ্রিল ২০১৭

About আলী রীয়াজ

আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক । তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিইচ-ডি ডিগ্রি লাভ করেন। ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেওয়ার আগে অধ্যাপক রীয়াজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বৃটেনের লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্ল্যাফলিন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এ ছাড়া তিনি লন্ডনে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। ইংরেজিতে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দশটি। এর মধ্যে রয়েছে– ‘পলিটিক্যাল ইসলাম এন্ড গভর্নেন্স ইন বাংলাদেশ’ (২০১০), ‘ফেইথফুল এডুকেশন : মাদ্রাসাজ ইন সাউথ এশিয়া’ (২০০৮) এবং ‘গড উইলিং – দি পলিটিক্স অব ইসলামিজম ইন বাংলাদেশ’ (২০০৪)। বাংলা ভাষায়ও তাঁর অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ‘স্টাডিজ অন এশিয়া’ জার্নালের সম্পাদক। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি এবং রাজনৈতিক ইসলাম বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তাঁর স্বীকৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি ২০১২ সালে ডক্টর রীয়াজকে ‘ইউনিভার্সিটি প্রফেসর’ পদে ভূষিত করে। ২০১৩ সালে তিনি ওয়াশিংটনে উড্রো উইলসন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্কলারস-এ পাবলিক পলিসি স্কলার হিসেবে কাজ করেন।

View all posts by আলী রীয়াজ →

One Comment on “রাষ্ট্রের তিন অঙ্গের মধ্যে ‘সমন্বয়’ নয়, চাই ভারসাম্য”

  1. অসংখ্য ধন্যবাদ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এই আলোচনা উত্থাপনের জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ক বক্তব্যটা খুব বেশি পত্রিকার মানুষ খেয়াল করেছেন বলে মনে হলো নাতো!

Leave a Reply