প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: রিপাবলিকান নেতারা কেন ট্রাম্পকে ত্যাগ করছেন?

Spread the love

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এক মাসেরও কম সময় আগে রিপবালিকান পার্টিতে যে সম্ভাব্য পরাজয়ের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং যেভাবে দলের নেতৃবৃন্দ দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গ ত্যাগের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন তা দেখে ‘ডুবন্ত জাহাজ থেকে ইঁদুরদের লাফিয়ে পড়া’র কথাই মনে হবে। দলের অবস্থাকে বিশৃঙ্খলার স্বর্গ বলেই মনে হচ্ছে। মার্কিন যুক্ত্ররাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে নিয়ে, দলের প্রার্থী নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হওয়া কিংবা দলের একাংশ দলের প্রার্থীকে সমর্থন না করার ঘটনা নতুন নয়। কিন্ত এখন যা ঘটছে এই দেশের নির্বাচনের ইতিহাসে তার কোনো উদাহরণ নেই। অভূতপূর্ব তো বটেই এমনকি অকল্পনীয়ও। নারীদের বিষয়ে রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের অশ্লীল, অশোভন ও অবমাননাকর মন্তব্য সম্বলিত ২০০৫ সালের ভিডিও ৭ অক্টোবর শুক্রবার প্রকাশিত হবার পর থেকে এই অবস্থার সূচনা হয়। ট্রাম্প ভেবেছিলেন গত প্রায় দেড় বছরে তিনি যেমন অনেক অগ্রহণযোগ্য বক্তব্য দিয়ে এবং অনাকাঙ্খিত বিতর্কের জন্ম দিয়েও পার পেয়ে গেছেন এবং দলের নেতারা শেষ পর্যন্ত তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন তেমনি ঘটবে বিশেষ করে নির্বাচন যখন এত কাছে তখন তাঁদের কিছুই করার থাকবে না। সেই আশাতেই তিনি প্রথমে এক লিখিত বক্তব্যে ‘যদি কেউ ক্ষুব্ধ হয়ে থাকেন তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী’ বলে পার পেতে চেয়েছিলেন। কিন্ত তাতো হয় নি, বরঞ্চ উল্টো কয়েক ঘন্টার মধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে দলের অনেকেই তাঁর নিঃশর্ত ক্ষমার দাবি তোলেন, তার প্রতি সমর্থন তুলে নিতে শুরু করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর কাজের জন্যে ক্ষমা চাইতে অভ্যস্ত নন, ফলে তাঁকে প্রায় জোর করেই তাঁর সহযোগীরা ক্ষমা চেয়ে ভিডিও বার্তা দিতে রাজি করান। মধ্যরাতের ৯০ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প ‘ক্ষমা’ চাইলেও তা যে রিপাবলিকান দলের নেতাদের প্রত্যাশিত নিঃশর্ত ক্ষমা নয় এবং তা যে সাধারন ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবার মতো নয় তা ঐ ভিডিও বার্তা প্রচারের সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা যায়। ফলে যে বিবৃতি তাঁকে বিপদমুক্ত করবে বলে মনে করেছিলেন তা বরঞ্চ তাঁর ঔদ্ধত্যের প্রমান হয়ে উঠলো। ফলে দলের নেতাদের নিন্দাই কেবল তীব্র হল তা নয়, তাঁর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের হিড়িক শুরু হল এবং তাঁকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়াবার আহবান জোরদার হল। সিনেট এবং প্রতিনিধি সভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, বিশেষ করে যারা এখন হাডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি, সেই রিপাবলিকান প্রার্থীরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ট্রাম্পের সঙ্গে যতটা দূরত্ব তৈরি করা সম্ভব ততোটাই দুরত্ব তৈরি করেছেন।
ট্রাম্প যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাড়াবেন না, সেটা তাঁর ভিডিও বিবৃতিতেই স্পষ্ট ছিলো। ভিডিও বার্তায় তিনি তাঁর ‘এক দশকের পুরনো কথাবার্তা’কে ‘দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা’ বলে বর্ননা করলেন। শনিবার একাধিক গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁর সরে দাঁড়াবার কোন ইচ্ছে নেই। ট্রাম্প তাঁর কট্টর সমর্থকদের কাছে এই বার্তাই দিয়েছেন যে তিনি আপস করেন না; এবং তিনি এই প্রচেষ্টাকে তাঁর বিরুদ্ধে দলের এবং দলের বাইরের ‘এস্টাবলিশমেণ্টের’ ষড়যন্ত্র বলেই বলছেন। (যুক্তরাষ্ট্র সময় রোববার রাতে তিনি হিলারী ক্লিনটনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিতর্কে অবতীর্ণ হবেন)। প্রাথমিকভাবে ট্রাম্পের প্রচার দল, তাঁর সমর্থকরা খানিকটা বিমূঢ় হয়ে পড়লেও শনিবার দুপুরের পর থেকেই তাঁরা তাঁদের যুক্তি ও কথাবার্তা গুছিয়ে এখন পাল্টা আক্রমণের ভঙ্গিতে আছেন। তাঁদের বক্তব্য হচ্ছে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের অতীতে অনেক ধরণের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিলো এবং হিলারী তাতে সায় দিয়েছে যা নারীদের জন্যে অবমাননাসূচক। এই বক্তব্য ট্রাম্পের কট্টর সমর্থকদের বাইরে এখনও হালে পানি পায় নি। কিন্ত এটাই যে তাঁরা অব্যাহত রাখবেন সেটা বোধগম্য।
প্রশ্ন হচ্ছে ট্রাম্পের এই ধরণের আশোভন বক্তব্য নতুন বিষয় নয়; একার্থে এই বক্তব্যই বরঞ্চ এক দশকের বেশি পুরনো। তিনি এই নির্বাচনী অভিযানের শুরু থেকেই নারী এবং অন্যদেরকে অপমান করে আসছেন। কিন্ত রিপাবলিকান দলের নেতারা তাঁকে মৃদু সমালোচনা করা ছাড়া প্রায় কিছুই করেন নি। তাহলে এখন তাঁরা এতটা কঠোর হলেন কেন? তাঁর কারণ হচ্ছে এই ধরণের অপমানের লক্ষ্যবস্ত যারা তাঁদেরকে মার্কিনি ভোটাররা চেনেন; ট্রাম্পের অপমানের শিকার হয়েছেন রিপবালিকান দলের নেতাদের পরিবার। যারাই ট্রাম্পের প্রতি তাঁদের সমর্থন তুলে নিয়েছেন তাঁদের বক্তব্য লক্ষ্য করলে দেখবেন যে তাঁরা বলেছেন যে তাঁদের পরিবার – স্ত্রী, কন্যা বা নাতনীদের কাছে তাঁরা বলতে পারছেন না যে এই ধরণের একজন মানুষ যে নারীকে ‘ভোগের বস্তু’ মনে মনে করে তাঁকে তিনি সমর্থন করছেন। এর আগে ট্রাম্প যাদের অপমান করেছেন – হিস্পানিক জনগোষ্ঠী, মুসলিম, যুদ্ধে নিহত মুসলিম সৈন্যের পরিবার (যাদের বলা হয় গোল্ড স্টার পরিবার), এমনকি বিশ্ব সুন্দরী আলিসিয়া মাচাডো, তাদের সঙ্গে রিপাবলিকান দলের নেতাদের, তাঁদের সমর্থকদের জীবন যাপন করতে হয় না। কিন্ত এখন যাদের অপমান করা হয়েছে তাঁরা তাঁদের ঘরের মানুষ, তাঁদের মুখের দিকে তাকাতে হবে প্রতিদিন। যদিও শেষ মুহুর্তে হলেও তাঁরা যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঔদ্ধ্যতের বিরুদ্ধে, তাঁর নারী-বিদ্বেষী মনোভাবের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন সেটা ইতিবাচক। কিন্ত তাঁর জন্যে তাঁদের কেন এতদিন লাগলো সেই প্রশ্ন করাও দরকার।
রিপাবলিকান দলের নেতারা যে দ্রুত ট্রাম্পের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তাঁর আরেকটা কারণ হচ্ছে যে তাঁরা জানেন যে এই বক্তব্য এবং ট্রাম্পের অবস্থান নারী ভোটারদের এক বড় অংশের কাছে রিপাবলিকানদের গ্রহণযোগ্যতা আরো হ্রাস করবে। অতীতে ট্রাম্পের অনেক আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে নারী ভোটারদের মধ্যে দলের সমর্থন নিম্নমুখী। রিপাবালিকান দলের নেতাদের এখন প্রথম লক্ষ্য হয়ে পড়েছে সিনেটে দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রক্ষা করা। কেননা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি সিনেটের ৩৪টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে, তার ২৪টি হচ্ছে রিপাবলিকান দলের সদস্যের আসন। এর মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি আসনে রিপাবালিকান প্রার্থীরা এতটাই প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হচ্ছেন যে তাঁদের আশঙ্কা এই আসনগুলো হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। ডেমোক্রেটরা এই আসনগুলো পেলে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করবে। প্রতিনিধি সভার চারশো পয়ঁত্রিশটি আসনেই নির্বাচনে হবে। এখন রিপবালিকানদের নিয়ন্ত্রনে আছে ২৪৬টি আসন, ডেমোক্রেটদের নিয়ন্ত্রনে আছে ১৮৬টি। ফলে সেখানে তাঁদের বিপদ কম। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বছরে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জনপ্রিয় না হলে সিনেট এবং প্রতিনিধি সভার নির্বাচনে তাঁর প্রভাব পরে। তাঁরা এখন এই দুই নির্বাচন, বিশেষত সিনেট নির্বাচন নিয়েই বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কিন্ত দলের নেতারা এখন কি কিছু করতে পারবেন? ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি সরে দাঁড়াবেন না। তিনি এর শেষ দেখতে চান।
প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর সরে যাওয়ার বা সরিয়ে দেয়ার কোনো উদাহরণ মার্কিন রাজনীতিতে তো নেইই, এমনকি দলের মনোনীত প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে নিজ দলের ভেতরে থেকে সরে দাড়াবার আহবান জানানোর ঘটনা মার্কিন রাজনীতির ইতিহাসে এই প্রথম ঘটছে। এ পর্যন্ত প্রায় এই ধরণের ঘটনা বলতে একটিমাত্র উদাহরণ দেয়া যাবে; তা হল ১৯৭২ সালে মনোনীত ভাইস প্রেসিডেন্টকে টিকেট থেকে সরিয়ে দেয়ার ঘটনা। ১৯৭২ সালে ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জর্জ ম্যাকগভার্ন দলের সম্মেলনে ১২ জুলাই মনোনয়ন লাভের পর তাঁর রানিংমেট নির্বাচনের ভোট হয় এবং ছয় জন প্রার্থীর মধ্য থেকে কয়েক দফা ভোটের পর মিসৌরী থেকে নির্বাচিত সিনেটের থমাস ইগলটন মনোনয়ন লাভ করেন। কিন্ত সম্মেলনের আগে থেকে যা ছিলো গুঞ্জন পরে তা নিশ্চিত করে জানা গেলো যে ইগলটন ডিপ্রেশনে ভুগেছেন। জোর দাবি ওঠে যে ইগলটনকে টিকেট থেকে বাদ দেয়ার; এ সত্ত্বেও মাকগভার্ন বলেন যে, তিনি তাঁর ভাইস-প্রেসিডেন্টের পেছনে ‘১ হাজার শতাংশ’ আছেন। কিন্ত চাপের মুখে ৩১ জুলাই ইগলটন নিজেকে সরিয়ে নেন; সার্জেন্ট স্রাইভার তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। সেই নির্বাচনে জর্জ ম্যাকগভার্ণ হেরেছিলেন – মাত্র একটি অঙ্গরাজ্য এবং ডিসি জিতেছিলেন, তাঁর পাওয়া ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা ছিলো ১৭; তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবালিকান প্রার্থী রিচার্ড নিক্সন পেয়েছিলেন ৫২০টি ইলেকটোরাল ভোট।
এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রার্থীতা সরিয়ে দেবার যে দাবি উঠেছে তার জোরদার নৈতিক ভিত্তি থাকলেও এবং রাজনৈতিকভাবে তা রিপাবলিকান দলের জন্যে সম্ভবত ইতিবাচক হবে বলে মনে হলেও তাঁর বাস্তব সমস্যাগুলো প্রায় অনতিক্রম্য। কেননা রিপাবলিকান দলের গঠনতন্ত্রে এমন কোনো প্রত্যক্ষ বিধান নেই যা দলের নেতারা ব্যবহার করতে পারেন তাঁকে সরিয়ে দেয়ার জন্যে। দলের ১৫০ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় কমিটি যে ধারার আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করতে পারেন তা হচ্ছে গঠনতন্ত্রের নয় নম্বর ধারা (রুল নাইন)। কিন্ত সেখানে বলা হয়েছে যে ‘মৃত্যু, নিজে থেকে সরে যাওয়া (ডিক্লাইনেশন) বা অন্য কোনো কারণে’ যদি দলের প্রেসিডেন্ট বা ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদ শুন্য হয় তবে দলের জাতীয় কমিটি তা পূর্ণ করতে পারবে বা ঐ পদ পূরণ করতে আবার সম্মেলন ডাকতে পারবে। এই ধারায় ‘অন্য কারণ’ বলে যে অস্পষ্টতা আছে তা ব্যবহারের চেষ্টা করলে তা যে আদালতে গড়াবে সেটা প্রায় নিশ্চিত।
অন্যদিকে আছে কিছু বাস্তব সমস্যা। রিপাবলিকান পার্টি দেশের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ইতিমধ্যেই জানিয়েছে যে তাঁদের প্রার্থী হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প – মাইক পেন্স। এখন যদি তাঁরা তা বদলাতে চায় তবে প্রত্যেকটি রাজ্যে আলাদা আলাদা করে আবেদন করতে হবে। তার জন্যে যে এখন সময় নেই তা বোধগম্য। কোনো কোনো রাজ্যে এই জন্যে যে সময়সীমা ছিলো তা অনেক অনেক আগেই পার হয়েছে। যেমন কলারাডোতে নির্বাচনের ষাট দিন আগে জানাতে হয়; আইওয়াতে জানাতে হয় ৮১ দিন আগে; ওহাইয়োতে ৯০ দিন আগে। একথা ধরে নেয়া যায় যে, সব রাজ্যেই ব্যালট ইতিমধ্যেই ছাপা হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ইতিমধ্যেই ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে গেছে (দেখুন, ‘আগেভাগে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা,’ প্রথম আলো, ৮ অক্টোবর)। ইউএসইলেকশন প্রজেক্ট বলে একটি প্রতিষ্ঠানের হিসেব অনুযায়ী রিপবালিকান দলের কমপক্ষে ৩৪ হাজার সমর্থক ইতিমধ্যেই ভোট দিয়েছেন। তার সবটাই যে ট্রাম্প পেয়েছেন এমন মনে করার কারণ না থাকলেও, প্রার্থী বদল হলে এই ভোটারদের কী হবে সেটা একটা বড় প্রশ্ন। এটা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে এর মধ্যে আছে নর্থ ক্যারোলাইনার ৫ হাজার ভোটার, এবং ফ্লোরিডার ৮ হাজার ভোটার। এই দুই অঙ্গরাজ্যেই জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে রিপাবলিকান দলের নেতারা এখন দলের ভবিষ্যত বিবেচনায় এবং নিজেদের নৈতিক অবস্থান থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিন্দা করলেও, প্রার্থী হিসেবে তাঁকে বাদ দিতে চাইলেও তাঁদের সামনে দৃশ্যত কোনো পথ খোলা আছে বলে মনে হয় না। তাছাড়া একথাও মনে রাখতে হবে যে ট্রাম্পের সমর্থক আছে এবং সেই সংখ্যা মোটেই কম নয়। ট্রাম্প এবঙ্গ তাঁর সহযোগীরা ট্রাম্পকে ‘আক্রান্ত’, ‘ভিক্টিম’, এবং ‘বিদ্রোহী’ বলে তাঁকে দেখাতে শুরু করেছেন যা অনেক সময়ই প্রার্থীদের সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে তা করবে কিনা সেটা আমরা আগামী কয়েক দিনে অনুমান করতে পারবো – আর চূড়ান্ত ভাবে জানবো ৮ নভেম্বর মঙ্গলবার।

ইলিনয়, ৯ অক্টোবর ২০১৬; দুপুর ১২:৪৫

Leave a Reply